প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২০-০৮-২০২৬ ০৪:৩৯:২২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২০-০৮-২০২৬ ০৪:৩৯:২২ অপরাহ্ন
ফোকাস বাংলা নিউজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক, সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ, বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পরিচালিত যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধিসহ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
উপাচার্য এসময় মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবময় অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ মর্যাদা প্রাপ্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফান্ড বৃদ্ধি, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন ও অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি ও রোবোটিক্স বিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রেও উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে বিভিন্ন আবাসিক হল, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা প্রদানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অ্যালামনাইদের সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।
উপাচার্য আগামী জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য সমাবর্তনে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগদানে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি মমত্ববোধ এবং এর শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সকল ক্ষেত্রে আন্তরিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স